তথাকথিত অনলাইন বাংলা সংবাদপত্র- এক বিশ্বস্থ চটির ভান্ডার !

তথাকথিক অনলাইন বাংলা সংবাদপত্র নিয়ে কিছু কথা। প্লিজ আমাকে ভুল বুঝবেন না। প্রথমেই ভুল স্বীকার করছি যে, আমার লেখাতে চটি শব্দটি ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। তা আমি মানছি। কিন্তু তার থেকে ভালো কোন শিরোনাম পাচ্ছিলাম না।

ইন্টারনেট ব্যবহার করি ২০০৯ থেকে। সে হিসাবে চটি শব্দটির সাথে ভালোভাবেই পরিচিত। চটি মানে কি তাও ভালোভাবে জানি। আসল কথায় আসি। আমার লেখার প্রধান উদ্দেশ্য হলো বাংলা নিউজপেপার সাইট গুলোকে আঙ্গুল দেখিয়ে দেয়া যে তারা ফেসবুকে অঘোষিত চটি ছড়াচ্ছে।

সরকার বা অন্য কোন কারনে উল্টাপাল্টা তথ্য ছড়ালে তার বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাকে শাস্তি পেতে হয়। তার বিরুদ্বে আইন ও রয়েছে। কিন্তু হায় হায় একি ??? কতদিন ধরে শুধু দেখছি যে ফেসবুকে ছবি ছড়ানো হচ্ছে। তার
আড়ালে থাকছে সুড়সুড়ি মূলক একটা শিরোনাম।

অবাদে ১৮+ বিষয়ক ভিডিও কোন ব্যক্তি ছড়ালে তাকে ঠিকই ব্যান বা ব্লক করছি কিন্তু কোন সংবাদপত্র যদি তা করে তাহলে মনে প্রচন্ড ঘৃনার সৃষ্টি ছাড়া আর কি ই বা হতে পারে। আজ সকালে একটা খবর দেখলাম। একটা ছবি দেখালো হয়েছিলো। সাথেই একটা লিংক। ক্নিক করলাম। যা দেখলাম তা রীতিমত অবাক করার মতো। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম যে আমি কোন চটি সাইটে প্রবেশ করেছি। নিজের উপর অবশ্বাস হলো কিছুটা। কিন্তু পরক্ষনে বুঝতে পারলাম আমি একটা বাংলা নিউজ সাইটে আছি।

কিছুক্ষন চুপচাপ দেখলাম। শরীরটা ঘেমে যাচ্ছিলো। বুকটা ও কিছুটা কাপাকাপি শুরু করলো। আমার কেন জানি প্রচন্ড ঘৃনা জন্মালো নিউজ সাইটটির প্রতি। আমি আরো কিছু রিলেটেড খরব পড়া শুরু করলাম। অনিচ্ছা সত্বেওে পড়লাম। মাঝে মাঝে মুচকি হাসছিও বটে খবর এর ভাষাগুলো পড়ে। মনে হচ্ছে আমাকে জোর করে কেউ উত্তেজিত করতে চাচ্ছে। হে পাঠকগন, আমি ও যে মানুষ। আমার ও আবেগ আছে। জ্বিহ্বার পাশে যেমন তেতুল রাখলে লালা
ঝরবে তেমন প্রাপ্তবয়ষ্ক কাউকে খোলাখুলি ভাষায় পদ্বতি শিখাতে গেলে সে আবেগপ্রবন হবেই। আমি ও ব্যতিক্রম ছিলাম না।

ভাবলাম, এটা মনে হয় খোলাই হয়েছে এই ধরনের খবরের জন্য। কিন্তু আমার ভুল ধারনা ভেঙ্গে গেলো হোম পেজে ক্নিক করার পর। তাও নাকি আবার বাংলাদেশের দ্বিতীয় অনলাইন দৈনিক। দেখলাম, এমন কোন খবরের ক্যাটেগরি নাই, যা তার মধ্যে নাই। ওরে বাবা, কি ভয়ানক ব্যাপার। অনেক অনেক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা রয়েছে সাইটটিতে।

কেন করছে তারা এসব? সাইটের পেজভিউ বাড়ানোর জন্য নিশ্চই। ছিঃ ছিঃ ছিঃ । বড়ই ঘৃনা হচ্ছে। দোষটা কার ঠিক বুঝতে পারছিনা। আমরা এইসব খবরগুলো বেশি পড়ি বলেই হয়তোবা খবরের কাগজের সম্পাদকেরা বেশি বেশি
এই ধরনের নিউজ প্রকাশ করে।

কমেন্টে একটা লিংক দিলামঃ খবরটা দেখে মন্তব্য করতে পারেন। (আপনি শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়ষ্ক হলেই দেখবেন প্লিজ)

কি করার আছে এর বিরুদ্বে ???

আমরা কি শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবো ই। নাকি আমরা প্রতিবাদ করবো তার বিরুদ্বে? অনলাইনে আমাদের এতো বড়ো কমিউনিটি রয়েছে ফ্রিলান্সারদের। আমরা জোর প্রতিবাদ করলে অবশ্যই তা বন্দ করা সম্ভব। কেন বন্দ করতে হবে এসব?

আমার উত্তরটা একটু ভিন্ন লাগতে পারে। যারা নতুন ইন্টারনেট ব্যবহার করে বা করতে এসেছে তারা যদি এইসব ফেসবুকে ই দেখে তবে তাদের ইন্টারনেট সম্পর্কে খুব বাজে একটা ধারনা হতে পারে। এটাই খুব স্বাভাবিক। আমাদের অনলাইনের পরিবেশ এর শলীনতা
বজায় রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের কিছু একটা ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে।

Rate this post